রঙ

নীলাভ
লাল
সবুজ
সবুজাভ নীল
নীল
বেগুনি
গোলাপি

মোড

লাইট
EN

এস ওয়েব রিসার্চ সেন্টার

এস টেকনোলজিসের প্রথম গবেষণা কেন্দ্র, ২০১৬ সালে ওয়েব প্রযুক্তির জন্য চালু। এর কাজ এখন এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টারে চলছে।

শুরু ১৬ জুন ২০১৬এসডব্লিউআরসিএকীভূত ১৪ আগস্ট ২০২৬

এই কেন্দ্রটি এখন এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টারের অংশ

১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এস ওয়েব রিসার্চ সেন্টারএস এআই রিসার্চ সেন্টার একত্র করে একটিমাত্র গবেষণা কেন্দ্র এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টার গঠন করা হয়। কোনো প্রজেক্ট বন্ধ হয়নি, কোনো রিপোজিটরি সরানো হয়নি: একই মানুষেরা একই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে ওয়েব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিক দুটি এখন দুই দলে নয়, একটিই দলে। চলতি কাজ, রিলিজ ও যোগাযোগের তথ্য পাবেন এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টার-এ।

যা নিয়ে কাজ হতো

এস ওয়েব রিসার্চ সেন্টার যা নিয়ে গবেষণা করত

দশ বছরের ওয়েব গবেষণা, সবটাই এখনো সোর্স কোডসহ প্রকাশিত। এর প্রতিটি ধারাই এখন এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টারে চলছে।

  • ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক ও টেমপ্লেট ইঞ্জিন
  • ডেভেলপার টুলিং ও কমান্ড লাইন ইউটিলিটি
  • ব্রাউজার ও রেন্ডারিং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা
  • প্রকাশনা ও কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম
এক নজরে

চারটি সংখ্যায় কেন্দ্রটি

নিজে চলার সময়টুকুতে কেন্দ্রটি যেমন ছিল।

২০১৬
চালু

১৬ জুন ২০১৬

১০
বছর চলেছে

স্বাধীন কেন্দ্র হিসেবে, ২০১৬–২০২৬

২০২৬
একীভূত

১৪ আগস্ট ২০২৬

উত্তরসূরি

এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টার

এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টার

একটিই গবেষণা কেন্দ্র — ওয়েব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দুটির জন্যই।

এই কেন্দ্রটি যেসব প্রজেক্ট প্রকাশ করেছে, সেই কাজ এখন যেখানে দাঁড়িয়েছে আর দুটির পেছনের মানুষেরা — সবই এস টেকনোলজিস রিসার্চ সেন্টার-এ। কোনো প্রজেক্ট, রিপোজিটরি বা কথা বলার মতো কাউকে খুঁজতে এখানে এসে থাকলে, তাঁদের সেখানেই পাবেন।